Cinque Terre

Jamiatul Ulumil Islamia, Pabna

সকল প্রশ্ন উত্তর দেখুনCategory: namazপ্রস্রাব করার পর ফোটা ফোটা প্রস্রাব পড়লে কি করবে?
rokon Staff asked 2 months ago

আমি প্রায় ৪-৫ বছর ধরে প্রস্রাব সংক্রান্ত একটা রোগে আক্রান্ত| রোগটির ধরন হচ্ছে এরকম যে আমি যখন প্রস্রাব বা পায়খানা করি তখন আমার প্রস্রাবসম্পূর্ণরূপে না হয়ে কিছুটা আটকে থেকে যায়| আর কিছুক্ষন পর আটকে থাকাকয়েক ফোটা প্রস্রাব এমনিতেই বেরিয়ে যায়| আমি প্রস্রাবখানায় যতক্ষণই বসেথাকিনা কেন তবুও এরকম হয়| এমনকি আমি যখন নামাজ পড়ি তখনও মাঝেমধ্যে এরকমহয়| মাঝেমধ্যে আমি বুঝতে পারি যে আমার প্রস্রাব হয়ে গেল আবার মাঝে মধ্যেসন্দেহ হয় যে প্রস্রাব হল কিনা| আবার মাঝে মধ্যে প্রস্রাব করতে গিয়ে দেখিলিঙ্গের আগায় এক বিন্দুর চাইতে কম প্রস্রাব লেগে আছে| আর্থিক সমস্যারকারণে বড় কোন ডাক্তারের সাথে কথা বলা হয়নি আর হোমিও ওষুধ খেয়ে কোন কাজহয়নি| আমার ধারনা ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে ………………………………..কারণে এমনটা হয়েছে| উল্লেখ্য আমার বর্তমান বয়স ২২ বছর চলছে| এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি কি এরকম অবস্থায় নামাজ রোজা অব্যাহত রাখব নাকি ছেড়েদেব?

1 Answers
rokon Staff answered 2 months ago

আপনার বর্ণনা দ্বারা প্রাথমিক ভাবে যতটুকু বুঝা যাচ্ছে, এটা আপনার কোন রোগ নয়। প্রত্যেক পুরুষেরই প্রস্রাব করার পর কিছু প্রস্রাব আটকে থাকে। যা দাঁড়িয়ে, হেটে হেটে মাটির ঢিলা বা টয়লেট টিস্যু ব্যবহারের দ্বারা বেরিয়ে আসে, যাকে শরিয়তের পরিভাষায় ইস্তেঞ্জা বলে। আপনিও প্রস্রাব করার পর দাঁড়িয়ে হেটে হেটে ইস্তেঞ্জা করে ( ইস্তেঞ্জার পদ্ধতি না জানলে, ফোন করে জেনে নিতে পারেন) দেখতে পারেন। আশা করি পরবর্তীতে আর প্রস্রাবের ফোটা পড়বেনা। ইন শা-আল্লাহ এর পরও যদি প্রস্রাবের ফোটা পড়ে, তাহলে লজ্জাস্থান ধুয়ে দ্বিতীয়বার অজুকরে নামজ পড়ে নিবেন। নামজ ছেড়ে দেওয়ার কোন অবকাশ নেই। এজন্য আপনি অজুকরে যাথাসম্ভব তাড়াতাড়ি নামজ আদায় করে নিবেন। আর আপনার রোগটা যদি এমন হয়, সব সময় অনবরত ফোটা-ফোটা প্রস্রাব পড়তে থাকে। এ অবস্থা্য যদি এক ওয়াক্ত নামাজের সময় পুরোপুরি অতিবাহিত হয় এবং এর মাঝে অজু করে ফরজ নামজ পড়তে পারেন, এতটুকু সময় না পান। তাহলে আপনি মা’জুরের হিসেবে সাব্যস্থ হবেন।আর মাজুরের বিধান হল, যদি অজু ভঙ্গের অন্য কোন কারণ না পাওয়া যায় তাহলে মাজুর এক ওয়াক্ত নামাজের পড়ার জন্য একবার অজু করলে সেই ওয়াক্তে যে কোন নামজ পড়তে পারবে। ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেলে অজু ভাঙ্গে যাবে। পরের ওয়াক্তে নামাজ পড়ার জন্য আবার অজু করবে। এই বিধান জারি থাকার জন্য শর্ত হল, এর পর থেকে প্রত্যক ওয়াক্তে একবার হলেও সেই রোগের কারণে এমনিতে প্রস্রাব পড়তে হবে । এসকল পরিস্থিতি রোজার জন্য কোন প্রতিবন্ধকতা নয়। কাজেই কোন অবস্থাতেই নামাজ-রোজা ছেড়ে দেয়ার কোন অবকাশ নেই। শরয়ী দলীল الف:لمعذور من يستوعبه العذر وقتا كاملا وليس فيه انقطاع بقدر الوضوء والصلاة ابتداء ووجوده في كل وقت ولو مرة بقاء (قواعد الفقه- 495 ب:( ومما يتصل بذلك أحكام المعذور ) شرط ثبوت العذر ابتداء أن يستوعب استمراره وقت الصلاة كاملا وهو الأظهر كالانقطاع لا يثبت ما لم يستوعب الوقت كله حتى لو سال دمها في بعض وقت صلاة فتوضأت وصلت ثم خرج الوقت ودخل وقت صلاة أخرى وانقطع دمها فيه أعادت تلك الصلاة لعدم الاستيعاب . وإن لم ينقطع في وقت الصلاة الثانية حتى خرج لا تعيدها لوجود استيعاب الوقت .( الفتاوى الهندية ج1ص95) كيفية الاستنجاء من البول ( وكيفية ) الاستنجاء من البول أن يأخذ الذكر بشماله ويمره على جدار أو حجر أو مدر ناتئ من الأرض ولا يأخذ الحجر بيمينه وكذا لا يأخذ الذكر بيمينه والحجر بشماله وإن اضطر يمسك مدرا بين عقبيه ويمر الذكر بشماله فإن تعذر ذلك أمسك الحجر بيمينه ولا يحركه . ( الفتاوى الهندية ج1ص95. ج: والمستحاضة ومن به سلس البول والرعاف الدائم والجرح الذي لا يرقأ يتوضئون لوقت كل صلاة فيصلون بذلك الوضوء في الوقت ما شاءوا من الفرائض والنوافل (الهداية ج1ص495 প্রামাণ্য গ্রন্থাবলীঃ 1।কাওয়াইদুল ফিক্বহ- ৪৯৫ ২। ফাতাওয়া হিন্দিয়া-১/৯৫, ১০৪ ৩। আল হিদায়া- ১/৪৯৫ ৪। আদ্দুররুল মুখতার মাআ শামী- ১/৪৯৫ ৫।ফাতাওয়া শামী- ১/৪৯৫ ৬।ফাতহুল কাদীর- ১/১৮১ ৭। মাজমাউল আনহুর-১/৭৭