Cinque Terre

Jamiatul Ulumil Islamia, Pabna



জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর

Posted on August 01, 2017 by rokon   |   Filed under templates, internet Comments Off on জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর

একটি বেসরকারী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আল্লাহ তা’আলার অপার অনুগ্রহে জামিয়ার ভিত্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জামিয়া তাকওয়ার দুগ্ধ দ্বারা লালিত হয়েছে। জামিয়া এমন কতিপয় লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেগুলো সূচনা সূচনা পূর্ব থেকেই বাস্তবায়ন করে আসছে। আল্লাহ তা’আলার তাওফিকে নিজ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জামিয়া এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর জন্য সকল কৃতিত্ব ও প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার।
প্রভু মোদের প্রশংসা, নেয়ামত, দান সব তো তোমার প্রশংসায় ও মহিমায় কেউ তো নয় বড় তোমার,
জামিয়া দুই দশকেরও কম সময়ে এমন অবদান রেখেছে যা বিরল ও আঙ্গুল দিয়ে নির্দেশ করার মত, যা চিরকাল সাফল্যের পূর্ব লক্ষণ সফলতার পূর্বাভাস হয়ে থাকবে। বস্তুত, জামিয়া নিরব নৈঃশব্দে এক অবিরাম জিহাদে ব্রতী রয়েছে। এ পথে সে, সব ধরনের কষ্ট-ক্লান্তি হাসি মুখে বরন করেছে।
আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, বাংলাদেশের বেসরকারী বৃহত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের অন্যতম। তার কতিপয় বিশেষ বৈশিষ্ট রয়েছে, যা সহজেই তাকে অন্য অনেক মাদ্রাসা থেকে পৃথক পরিচয়ে পরিচিতি দান করে। সে সব বৈশিষ্টের মধ্যে সম্ভবত প্রথম বৈশিষ্ট হলো, জামিয়া তার সান্তানদেরকে স্বচ্ছ ইসলামী তরবিয়াতের আলোকে গড়ে তোলে। বস্তুত, জামিয়া আলিম (?) তৈরীর পূর্বে ‘মানুষ’ নির্মাণের উপর জোর দেয়, এবং দেশ ব্যাপী হাকডাক সম্পন্ন ব্যক্তি জন্ম দেয়ার পূর্বে মানব কাঠামোর কিছু মৌলিক উপাদান তৈরীর প্রতি গুরুত্ব দেয়। জামিয়ার এই বৈশিষ্ট নিকট ও দূরের সবার কাছে স্বীকৃত। আর এসবই হয়েছে প্রথমত আল্লাহ তা’আলার বিশেষ অনুগ্রহে, দ্বিতীয়ত সে সব ক্লান্তিকর চেষ্টা ও অবিরাম সাধনার বদৌলতে, যা জামিয়ার পরলোকগত প্রতিষ্ঠাতা ইখলাস ও ছাওয়াব প্রাপ্তির আশায় এ পথে ব্যয় করেছেন।

একটি বেসরকারী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আল্লাহ তা’আলার অপার অনুগ্রহে জামিয়ার ভিত্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জামিয়া তাকওয়ার দুগ্ধ দ্বারা লালিত হয়েছে। জামিয়া এমন কতিপয় লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেগুলো সূচনা সূচনা পূর্ব থেকেই বাস্তবায়ন করে আসছে। আল্লাহ তা’আলার তাওফিকে নিজ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জামিয়া এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর জন্য সকল কৃতিত্ব ও প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার।
প্রভু মোদের প্রশংসা, নেয়ামত, দান সব তো তোমার প্রশংসায় ও মহিমায় কেউ তো নয় বড় তোমার,
জামিয়া দুই দশকেরও কম সময়ে এমন অবদান রেখেছে যা বিরল ও আঙ্গুল দিয়ে নির্দেশ করার মত, যা চিরকাল সাফল্যের পূর্ব লক্ষণ সফলতার পূর্বাভাস হয়ে থাকবে। বস্তুত, জামিয়া নিরব নৈঃশব্দে এক অবিরাম জিহাদে ব্রতী রয়েছে। এ পথে সে, সব ধরনের কষ্ট-ক্লান্তি হাসি মুখে বরন করেছে।
আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, বাংলাদেশের বেসরকারী বৃহত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের অন্যতম। তার কতিপয় বিশেষ বৈশিষ্ট রয়েছে, যা সহজেই তাকে অন্য অনেক মাদ্রাসা থেকে পৃথক পরিচয়ে পরিচিতি দান করে। সে সব বৈশিষ্টের মধ্যে সম্ভবত প্রথম বৈশিষ্ট হলো, জামিয়া তার সান্তানদেরকে স্বচ্ছ ইসলামী তরবিয়াতের আলোকে গড়ে তোলে। বস্তুত, জামিয়া আলিম (?) তৈরীর পূর্বে ‘মানুষ’ নির্মাণের উপর জোর দেয়, এবং দেশ ব্যাপী হাকডাক সম্পন্ন ব্যক্তি জন্ম দেয়ার পূর্বে মানব কাঠামোর কিছু মৌলিক উপাদান তৈরীর প্রতি গুরুত্ব দেয়। জামিয়ার এই বৈশিষ্ট নিকট ও দূরের সবার কাছে স্বীকৃত। আর এসবই হয়েছে প্রথমত আল্লাহ তা’আলার বিশেষ অনুগ্রহে, দ্বিতীয়ত সে সব ক্লান্তিকর চেষ্টা ও অবিরাম সাধনার বদৌলতে, যা জামিয়ার পরলোকগত প্রতিষ্ঠাতা ইখলাস ও ছাওয়াব প্রাপ্তির আশায় এ পথে ব্যয় করেছেন।

Page 1 of 2 1 2 »

3 Responses

:

Leave a Reply

Comments are closed.